ঝগড়াটে ভালোবাসা || পর্ব-৪

ঝগড়াটে ভালোবাসা ৪ পর্বে আপনাদের স্বাগতম

মজার মজার এবং নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

মেহেরাজ:— অবু তুই দেখি সত্যি সত্যি ভিলেন হয়ে গেলি।
অবনী:—তোর মতো কি কাপুরুষ নাকি যে আমি দাঁড়িয়ে থাকবো চুপ চাপ করে আর নিজের অপমান সহ্য করমু।
মেহেরাজ:— দেখ অবনী একদম কাপুরুষ কবি না আমায়।(রেগে গিয়ে
অবনী:—ওলে লে লে,,,,, ময়না পাখি তবে কি তোমাকে আমি বীরপুরুষ বলমু নাকি?
সামান্য কয়েকটা ছেলেকে যে মারতে পারে না।
মেহেরাজ:— এটা কোনো ব্যাপার হলো নাকি আমার জন্য সামান্য কয়েকটা ছেলেকে মারার।
আমি তো শুধু তোকে রাগানোর জন্য না এমন করছি।
আর আমি গেলে তো ছেলেগুলো হসপিটালের বিছানায় থাকতো।
আর এক হিসেবে ভালো হইছে তুই যে এতো ভালো মারামারি করতে পারছ তা ও জানা হয়ে গেলো।
অবনী:— এখন তোরে আমি মারমু দাঁড়া তুই।
(এই বলে অবনী মেহেরাজ কে দৌড়াতে থাকে আর মেহেরাজ ও দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে বাসায় চলে আসে, বাসায় এসে মেহেরাজের আম্মুর সামনে পড়ে।)

মেহেরাজের আম্মু:— এই তোরা থামবি?
সারাদিন দৌড়াদৌড়ি করতে থাকছ।
মনে হয় তোরা আর বড় হবি না কখনো
এমন দৌড়াদৌড়ি করে দেখ মেয়েটা কেমন শুকিয়ে গেছে।

মেহেরাজ:— আম্মু কি বললা তুমি এই মেয়ে শুকিয়ে গেছে?
এই জন্যই তোমাকে বলি চোখে চশমা পড়।
চশমা পড়ে চলাফেরা করলে আজ আর আমার এটা শুনতে হতো না।

মেহেরাজের আম্মু:— মেহেরাজ তুই চুপ থাক তো।
একদম কথা বলবি না তুই, সারাক্ষণ শুধু মেয়েটার পিছনে লেগেই থাকিস।

অবনী:— দেখোনা আন্টি তোমার ছেলেটা সারাক্ষণ আমাকে নিয়ে হিংসা করতে থাকে।

মেহেরাজের আম্মু:— থাক তুই আমার কাছে একবারে চলে আয় তখন দেখবো কি করে ও তোর পিছনে লাগে।
এমন লেগে থাকলে ওর কানটা টেনে ছিড়ে নিবো।
আর তোকে মোটা করে দিবো।

মেহেরাজ:— আম্মু এই মুটকি তো এমনিতেই মোটা।
আরও মোটা করে দিলে তো ঘরের দরজা আরও বড় করতে হবে।
তাই কোনো দরকার নাই।
আর এই মুটকি যদি এতো বেশি খাইয়া মোটা হইতে যায় পরে তো আমার বাপের সব টাকা শেষ করে দিবো।
তার চাইতে ভালো দোকান থেকে একটা গরুর ইনজেকশন আছে খুবই স্পেশাল তা এনে দিবো এটা দিয়ে মোটা হইয়া যাইবো।
দোকানদার আমার পরিচিত ওকে একটা আমি কালকেই এনে দিবো।
শুধু শুধু আমার বাপের টাকা শেষ করতে হবে না ওর।

অবনী:— এতোই যখন বুঝতে পারলি তবে একটা কাজ কর না নিজের জন্য একটা এনে নিজেই দিয়ে মোটা হইয়া যা।

মেহেরাজের আম্মু:—এই যে তোরা দুইজন একবার শুরু করে দিলে আর শেষ হয় না তোদের ঝগড়া।
এবার একটু থাম তো তোরা।
আর অবনী তুই বস আজ আমি তোর পছন্দের চিংড়ি মাছ রান্না করবো।

অবনী:—( মেহেরাজের আম্মুকে জড়িয়ে ধরে) এই জন্যই তো তোমাকে আমি এত্তো ভালোবাসি।
আমার যখন যা খেতে ইচ্ছে হয় তা তুমি আমার বলার আগেই সবটা বুঝে যাও।
মাঝে মাঝে ভাবি তোমরা কি জাদুকর নাকি যে না বলতে সব কিছু ঠিক বুঝতে পারো।

মেহেরাজের আম্মু:— মা রা এমনই হয়।
যেদিন তুই মা হবি সেই দিন তুই ও বুঝতে পারবি।

মেহেরাজ:— আম্মু আমার না সন্দেহ হয় আমি তোমার ছেলে কি না তা ভেবে।

মেহেরাজের আম্মু:— কেনো হয় তোর সন্দেহ শুনি।

মেহেরাজ:— হসপিটালে একই দিনে একই হসপিটালে হবার কারনে আমরা অদলবদল হয়ে গেছি কি না।

মেহেরাজের আম্মু :— হ হইতে ও পারছ এখন যা তুই আর মেয়েটাকে জ্বালাবি না বলে দিলাম।

আমাদের গল্প আপনাদের কেমন লাগছে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন

ভালো লাগলে লাইক শেয়ার করবেন

আপনাদের একটা লাইক আমাদের কাজ করার উৎসাহ আরো বাড়িয়ে দেবে

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*