ঝগড়াটে ভালোবাসা || পর্ব- ৩

ঝগড়াটে ভালোবাসা ৩ পর্বে আপনাদের স্বাগতম

মজার মজার এবং নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

এভাবেই চলতে থাকে মেহেরাজ আর অবনীর বন্ধুত্ব।
কেউ কাউকে ছাড়া একটা দিন ও কাটাতে পারে না।
একদিন দেখা না করে মেহেরাজ ও থাকতে পারে না,তেমনি করে অবনী ও থাকতে পারে না।

একদিন কলেজ আর সব কিছু বন্ধ মেহেরাজ তাই বাসায় বসে বসে মোবাইলে গেমস খেলছে এমন সময় কলিং বেল বাজে আর মেহেরাজ গিয়ে দরজা খুলে দেয়।
আর দেখে অবনী দাঁড়িয়ে আছে।

মেহেরাজ:—কী রে এই অবেলায় তুই এখানে কেন?
অবনী:— এতে অবাক হওয়ার কী আছে।
আমি আসলে তোর মুখটা বাংলার পাঁচের মতো হয়ে যায় কেনো?

মেহেরাজ:— তোর মতো শাতচুন্নির মুখ দেখলেই দিনটা খারাপ হয়ে যায় আমার।
এখন কি বাহিরে দাঁড়িয়ে থাকবি নাকি ভিতরে আসবি।
আর আসতে না চাইলে দারোয়ান কাকার সাথে বাড়িটা পাহারা দিতে পারছ।

অবনী:— না এখন ভিতরে যাবো না।

মেহেরাজ:— কেনো কী হইছে?

অবনী:— তুই এখান আমার সাথে বাহিরে আয়।

মেহেরাজ:—কেনো?

অবনী:— নিচে যাবো।

মেহেরাজ:— কেনো যাবো?

অবনী:— তোর সমস্যাটা কি বল আমারে এতো কেনো কেনো করছ কেন তুই।

বলছি তোরে আমার সাথে নিচে আসতে তুই আয়।
আর জীবনে যদি তোর মুখে কেনো কেনো করতে শুনছি তোর মাথা কাইটা ফুটবল খেলমু।

নতুন গল্প আর বাকি পর্ব পেতে এড হতে পারেন

মেহেরাজ:—কি করমু তুই যদি ছেলেধরা সাথে যোগ হইয়া আমারে বেইচা দেছ তার জন্য তো জানতে হয়।
না জানলে তো নিয়ে মাইরা মাথাটা পদ্মা নদী দিয়া দিবি।

অবনী:—তুই নিচে আয় তো এখন(এ বলে হাত ধরে নিয়ে যায়)

মেহেরাজ:— আরে এইবার তো ক কই লইয়া যাছ তুই আমারে।

(রাস্তায় কতোগুলো ছেলে কে দেখিয়ে)

অবনী:—ঐ ছেলেগুলো কে দেখ।

মেহেরাজ:— ওদের কে আবার দেখার কি আছে।
তোর কি পছন্দ হইছে নাকি?

অবনী:— ওদের কে কেনো আমার পছন্দ হতে যাবে?(রেগে গিয়ে)

মেহেরাজ:— তবে ওদের কে কেনো দেখাছ?

অবনী:—আমি যখন তোদের বাসায় আসিতেছিলাম ঐ ছেলেগুলো আমাকে বাজে কথা বলছে।

মেহেরাজ:— তোকে ওদের ভালো লাগছে তাই আর কি বলছে।

অবনী:— তুই কি এখন এখানে দাঁড়িয়ে এগুলো বলবি?(রেগে বললো)

মেহেরাজ:— তো আমি কি করবো আবার এখন।

অবনী:—কি করবি মানে!

এখন গিয়ে তুই ওদের কে মেরে আসবি।

মেহেরাজ:— কি মারবো!
তা ও আবার আমি?
না রে ভাই, আমি পারবো না পরে দেখবো আমাকে মাইরা হসপিটালের বেডে পাঠাইয়া দিছে।

অবনী:— তবে তুই জিম করে এমন বডি কেন বানাইছচ?

মেহেরাজ:—এটা কি আমি তোর জন্য মারামারি করতে বানাইছি নাকি।
এটা তো আমি মেয়েদের পটাতে বানাইছি।
এখন তোর জন্য মারামারি করতে গেলে আমার কিছু হলে মেয়েরা আমার দিকে আর তাকাবেই না।

অবনী:— তুই আমার সাথে আর কথাই বলবি না।

মেহেরাজ:— তুই রাগ করিস না, তুই এখন বাসায় চল তোকে আমি বাসায় নিয়ে গিয়ে তেলের সাথে গ্লিসারিন মিশিয়ে মাথায় দিয়ে দিবো তোর মাথা একদম ঠান্ডা হয়ে যাবে চল বাসায় আয়।

অবনী:— তুই যাবি কি না বল?

মেহেরাজ:— না আমি জামু না দেখ ওরা কতোজন আর আমি একা একজন।
আর তুই বল ওরা তো বাচ্চা ছেলে ওদের ছাইরা দে আজ।

অবনী:— নে তুই ব্যাগটা ধর তোর জাইতে হবে না।

মেহেরাজ:— কেনো কই যাবি তুই?

অবনী:— তা তোর জানতে হবে না,তুই শুধু আমার ব্যাগটা ধর আর কাপুরুষের মতো দাঁড়াইয়া দেখ।

মেহেরাজ:—ওই আমারে কাপুরুষ কবি না তুই।

অবনী মেহেরাজ কে আর কিছু না বলে ছেলেদের কাছে গিয়ে একটা ছেলের গালে থাপ্পড় দিয়ে দিলো আর পাশে একটা লাঠি দেখে তা দিয়ে অন্যগুলোকে ও মারতে শুরু করে দেয়।
অবনীর এমন মার খেয়ে ছেলেগুলো দৌড়ে পালিয়ে যায় আর মেহেরাজ তা দাঁড়িয়ে দেখছিলো।

আমাদের গল্প আপনাদের কেমন লাগছে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন

ভালো লাগলে লাইক শেয়ার করবেন

আপনাদের একটা লাইক আমাদের কাজ করার উৎসাহ আরো বাড়িয়ে দেবে

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*