অবশেষে সুখবর, করোনার সংক্রমণ ঠেকাবে যক্ষ্মার টিকা!

বিজ্ঞানীরা নভেল করোনা ভাইরাসের গবেষণায় আরও একবার নতুন তথ্য দিলেন। যক্ষ্মা প্রতিরোধের ব্যাসিলাস ক্যালমেট গুয়েরিন বা বিসিজি টিকা করোনা সংক্রমণের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম- যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণাপত্রে এমনটিই দাবি করা হয়েছে।

‘সায়েন্স অ্যাডভান্স’ নামে একটি মার্কিন মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে জানানো হয়, অন্তত প্রথম ৩০ দিনের মধ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পাবে যক্ষ্মার টিকা!
ওই জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, যেসব দেশে বিসিজি টিকা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সেসব দেশে করোনার সংক্রমণ শুরুর পর অন্তত প্রথম ৩০ দিন সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কম থাকে।

গবেষকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে যদি কয়েক দশক আগেই বিসিজি টিকা নেয়া বাধ্যতামূলক থাকতো তাহলে হয়তো করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমে ৫০০’র নিচে থাকতো।
বাংলাদেশসহ চীন ও ভারতে যক্ষ্মার প্রতিষেধক হিসেবে শিশুর জন্মের পর বিসিজি টিকা দেয়া হয়। মার্কিন গবেষণাপত্রে বলা হয়, যেসব দেশে বাধ্যতামূলকভাবে বিসিজি টিকা দেয়া হয়েছে সেসব দেশে করোনায় মৃত্যুহারও তুলনামূলকভাবে কম।

করোনার বিরুদ্ধে বিসিজি প্রতিষেধক কতটুকু কার্যকর কিংবা আদৌ কার্যকর কিনা- এ নিয়ে গত ৮ মাস গবেষণা কম হয়নি।
গেল এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা দাবি করেন, বিসিজি ভ্যাকসিন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে অভাবনীয় সাফল্য আনতে সক্ষম।
‘সায়েন্স অ্যাডভান্স’ জার্নালের গবেষণায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে প্রথম ৩০ দিনে ১৩৫টি দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এবং ১৩৪টি দেশে দৈনিক মৃতের সংখ্যার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এ থেকেই গবেষকরা এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, করোনার সংক্রমণ রুখতে সক্ষম যক্ষ্মার টিকা। তবে করোনা প্রতিরোধে বিসিজি যে কোনও ‘ম্যাজিক বুলেট’ নয়, সেটিও স্পষ্ট করেছেন গবেষকরা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*